Monday, November 27, 2017

সকাল সকাল বিনোদন নাকি প্যারা 😕😕যেটাই হোক লাস্টের টা ছিলো

Posted By: Md Monwar Hossain - November 27, 2017

তখন ৭৯ নম্বর সড়কের হলি আর্টিজানের সামনে মাঝ রাস্তায় অপেক্ষা করছিল প্যারা কমান্ডো বাহিনীর সাঁজোয়া যানগুলো। কিন্তু বাধ সাধে শুক্রবার বিকেল থেকে আর্টিজান বেকারির বাউন্ডারি ঘেঁষা পার্কিং করা হতাহতদের প্রাইভেটকারগুলো। সরু দরজা দিয়েও সাঁজোয়া যান ভেতরে প্রবেশ দুষ্কর হয়ে ওঠে। অন্যদিকে ভেতরে থাকা জঙ্গিদের কাছে ভারি অস্ত্র থাকায় সেনা সদস্যদের ইনডোর অভিযানও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই রণাঙ্গনের অগ্রগামী চৌকশ সেনা কমান্ডোরা প্রাইভেটকার অক্ষত রাখার চেয়ে জিম্মিদশা মুক্ত করাটাই বেশি শ্রেয় মনে করলো। তারা তিনটি সাঁজোয়া যান নিয়ে বাউন্ডারি ভেঙে দোতলা আর্টিজান ভবনের সামনে থাকা বিশাল সবুজ লনে (খোলা মাঠ) ঢুকে পড়ে।


কিছুক্ষণের মধ্যে লনে অবস্থান নেওয়া সাঁজোয়া যান দিয়ে আর্টিজানের ভবনের নিচতলার ইমারত ও গ্লাসের দেয়াল ভেঙে অভিযান চালানো হয়। শুরু হয় গোলাগুলি। এভাবে অত্যন্ত সু-চতুর কৌশলে মাত্র ১৩ মিনিটে সফল করা হয় ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’। জঙ্গিদের মনোবন ভেঙে দিতে বাইরে ফাটানো হয় একের পর এক সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি। ঘটনাস্থলের ভেতরের অভিযান চলার পাশাপাশি বাইরে তিনপাশের সড়কেও ঘুরে ঘুরে ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে সেনা কমান্ডো। ১৩ মিনিটের অপারেশনের শেষে একযোগে বাঁশির হুইসেল বাজানো হয়। এরপর হলি আর্টিজেনের নিয়ন্ত্রণ নেন কমান্ডো দল।


এছাড়া অভিযান শেষেও বিকেল পর্যন্ত কিছুক্ষণ পরপর সাউন্ড গ্রেনেড ফাটানো হয়। তবে পুরো অভিযানকালে বিজিবি-পুলিশ-র‌্যাব-সোয়াট থাকলেও তারা অপারেশনে ছিলোনা।

এর আগে সকাল ৭টার পরপর গুলশানে প্রবেশ করে সেনাবাহিনীর ৯টি সাঁজোয়া যানসহ প্যারা কমান্ডো বাহিনীর কমান্ডো দল। একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থা অস্ত্রশস্ত্রের জোগান বাড়ায়। দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপদ দূরত্বে গণমাধ্যম কর্মী ও উৎসুক জনতাকে পুলিশ সরিয়ে দেয়। যদিও দুপুর দুইটা পর্যন্ত গুলশানে গণমাধ্যমের গাড়ি ছাড়া কোনো ধরনের যানবাহন প্রবেশ করতে পারেনি।

শুক্রবার রাত থেকে আর্টিজানে জিম্মি ছিলেন

ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের দৌহিত্র ও মেয়ে সিমিন হোসেনের ছেলে তরুণ ফারাজ হোসেন। সকাল থেকেই ছেলের খোঁজে ৭৫ নম্বর সড়কের র‍্যাংকস প্রপার্টিজের বাড়িতে অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন ফারাজ হোসেনের মা-বাবা। একই বাড়িতে অবস্থান নেন জিম্মি থাকা শাহরিয়ার হোসেন, ফাহমিদা, তালহা, তাসমিয়ার পরিবার। অপারেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে গুলির শব্দ পেয়ে ধুলাবালির ফ্লোরে দুই রাকাত নামায আদায় করে সেনা সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন জিম্মি শাহরিয়ারের বাবা শওকত হোসেন।

About Md Monwar Hossain

Organic Theme is officially developed by Templatezy Team. We published High quality Blogger Templates with Awesome Design for blogspot lovers.The very first Blogger Templates Company where you will find Responsive Design Templates.

0 comments:

Post a Comment

Copyright © 2015 Monwar Instant Article | Facebook

Blogger Templates Designed by Templatezy