Latest Releases

Monday, November 27, 2017

ফুল HD মুভিস ভালো লাগলে লাইক শেয়ার করে আমাদের সাথে থাকুন


Kattula Katamarayudu (Pawan Kalyan) is a brave person living in a village called Oddaanchatram, who lives with his four brothers. The elder brother loves the younger ones to the core, and sacrifices his happiness for their good. They are often caught in fights and they are proud of it. Advocate Bail Lingam (Ali), who bails them out whenever legal issues arise because of their brawls. Vinaayagam hates the idea of marriage as he feels that his wife might create disharmony among brothers. Though the four younger brothers say that they don't want to either fall in love or get married, when Kattula Katamarayudu is not around, they all have their secret lovers. Now, in order to get the green light for their love stories, they learn through his brother's

childhood friend Collector that Kattula Katamarayudu, in school, was in love with a girl named Avantika and his brothers hatch a plan to find her and reintroduce her to Kattula Katamarayudu, so he can fall for her all over again. But she's married now and has kids. So the brothers conspire to do the most logical thing, which is to find another woman named Avantika, because, you see, Kattula Katamarayudu was not in love with that girl so much as her name, and when he meets another (completely random) girl with that name, he is sure to lose his heart to her, just because she bears that name. Though initially reluctant later Kattula Katamarayudu himself falls in love with her. He clashes with a goon called Vanangamudi (Pradeep Rawat) to take care of market in the village. Vanangamudi tries to kill Kattula Katamarayudu's brothers while Kattula Katamarayudu kidnaps Vanangamudi's son after clashing, Kattula Katamarayudu orders Vanangamudi to leave this village.


While travelling in train to Avantika 's village, Avantika narrates her family background to Kattula Katamarayudu. Koppu's father Bhupathi(Nassar) is a respected man in the village who hates violence, while his son is exact opposite who kills people but when he is killed, Bhupathi refuse to bury his body and decided to make his village with peace and harmony. Few goons enter into train but Kattula Katamarayudu bashes all the rowdies, Avantika is shocked to see Kattula Katamarayudu whom she thought as a non-violent person. Kattula Katamarayudu and his brothers arrive at Avantika's village with clean shaven look, he says that he has changed and he would never harbor violence, he and his brothers are welcomed and respected by her family. Vinayagam is touched and impressed by their love, affection and hospitality. Kattula Katamarayudu comes to know that a goon named Yelasari Bhanu (Tarun Arora) wants to kill Bhupathi and his family, reason is revealed through flashback that Yelasari Bhanu's father is responsible for blast of matchstick factory. Bhupathi complains against Yelasari Bhanu's father and is arrested, commits suicide by getting hit by a lorry.



Yelasari Bhanu swears revenge against Bhupathi. Kattula Katamarayudu finishes all the goons and solves all their problems without the knowledge of Bhupathi and family. When Bhupathi's granddaughter finds sickle under Kattula Katamarayudu's jeep, Nallasivam orders Kattula Katamarayudu to go out of the town. Yelasari Bhanu who escapes from death sentence arrives to kill Bhupathi but Kattula Katamarayudu keeps him and his family in a safe place. Yelasari Bhanu informs Kattula Katamarayudu that he had kidnapped one of his brothers Kumaran, Kattula Katamarayudu arrives at the nick of time and saves his brother but instead gets attacked by Yelasari Bhanu. Bhupathi and his family who arrives at the place comes to know about risk taken by Kattula Katamarayudu to save him from the mess. Brutally attacked Kattula Katamarayudu rises steadily, kills Yelasari Bhanu and his henchmen. Bhupathi who is impressed with Kattula Katamarayudu's valor decided to give his hand to his daughter Avantika. The film ends with the marriage of Kattula Katamarayudu and his brothers.
Read »

সকাল সকাল বিনোদন নাকি প্যারা 😕😕যেটাই হোক লাস্টের টা ছিলো


তখন ৭৯ নম্বর সড়কের হলি আর্টিজানের সামনে মাঝ রাস্তায় অপেক্ষা করছিল প্যারা কমান্ডো বাহিনীর সাঁজোয়া যানগুলো। কিন্তু বাধ সাধে শুক্রবার বিকেল থেকে আর্টিজান বেকারির বাউন্ডারি ঘেঁষা পার্কিং করা হতাহতদের প্রাইভেটকারগুলো। সরু দরজা দিয়েও সাঁজোয়া যান ভেতরে প্রবেশ দুষ্কর হয়ে ওঠে। অন্যদিকে ভেতরে থাকা জঙ্গিদের কাছে ভারি অস্ত্র থাকায় সেনা সদস্যদের ইনডোর অভিযানও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। তাই রণাঙ্গনের অগ্রগামী চৌকশ সেনা কমান্ডোরা প্রাইভেটকার অক্ষত রাখার চেয়ে জিম্মিদশা মুক্ত করাটাই বেশি শ্রেয় মনে করলো। তারা তিনটি সাঁজোয়া যান নিয়ে বাউন্ডারি ভেঙে দোতলা আর্টিজান ভবনের সামনে থাকা বিশাল সবুজ লনে (খোলা মাঠ) ঢুকে পড়ে।


কিছুক্ষণের মধ্যে লনে অবস্থান নেওয়া সাঁজোয়া যান দিয়ে আর্টিজানের ভবনের নিচতলার ইমারত ও গ্লাসের দেয়াল ভেঙে অভিযান চালানো হয়। শুরু হয় গোলাগুলি। এভাবে অত্যন্ত সু-চতুর কৌশলে মাত্র ১৩ মিনিটে সফল করা হয় ‘অপারেশন থান্ডারবোল্ট’। জঙ্গিদের মনোবন ভেঙে দিতে বাইরে ফাটানো হয় একের পর এক সাউন্ড গ্রেনেড ও ফাঁকা গুলি। ঘটনাস্থলের ভেতরের অভিযান চলার পাশাপাশি বাইরে তিনপাশের সড়কেও ঘুরে ঘুরে ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে সেনা কমান্ডো। ১৩ মিনিটের অপারেশনের শেষে একযোগে বাঁশির হুইসেল বাজানো হয়। এরপর হলি আর্টিজেনের নিয়ন্ত্রণ নেন কমান্ডো দল।


এছাড়া অভিযান শেষেও বিকেল পর্যন্ত কিছুক্ষণ পরপর সাউন্ড গ্রেনেড ফাটানো হয়। তবে পুরো অভিযানকালে বিজিবি-পুলিশ-র‌্যাব-সোয়াট থাকলেও তারা অপারেশনে ছিলোনা।

এর আগে সকাল ৭টার পরপর গুলশানে প্রবেশ করে সেনাবাহিনীর ৯টি সাঁজোয়া যানসহ প্যারা কমান্ডো বাহিনীর কমান্ডো দল। একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সংস্থা অস্ত্রশস্ত্রের জোগান বাড়ায়। দুর্ঘটনা এড়াতে নিরাপদ দূরত্বে গণমাধ্যম কর্মী ও উৎসুক জনতাকে পুলিশ সরিয়ে দেয়। যদিও দুপুর দুইটা পর্যন্ত গুলশানে গণমাধ্যমের গাড়ি ছাড়া কোনো ধরনের যানবাহন প্রবেশ করতে পারেনি।

শুক্রবার রাত থেকে আর্টিজানে জিম্মি ছিলেন

ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের দৌহিত্র ও মেয়ে সিমিন হোসেনের ছেলে তরুণ ফারাজ হোসেন। সকাল থেকেই ছেলের খোঁজে ৭৫ নম্বর সড়কের র‍্যাংকস প্রপার্টিজের বাড়িতে অপেক্ষার প্রহর গুনছিলেন ফারাজ হোসেনের মা-বাবা। একই বাড়িতে অবস্থান নেন জিম্মি থাকা শাহরিয়ার হোসেন, ফাহমিদা, তালহা, তাসমিয়ার পরিবার। অপারেশন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে গুলির শব্দ পেয়ে ধুলাবালির ফ্লোরে দুই রাকাত নামায আদায় করে সেনা সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন জিম্মি শাহরিয়ারের বাবা শওকত হোসেন।
Read »

Tuesday, November 14, 2017

দুধ-মধু খেলে কী হয়?


কাজের চাপে অনেকে হয়তো শরীরের যত্ন নেওয়ার সময় পান না। তাই আমরা সাধারণত এমন খাবার খুঁজি, যেগুলো খুব কম সময়ে তৈরি করা যায় এবং শরীরেরও উপকার করে। এ রকম একটি খাবার হলো দুধ-মধু।
এক গ্লাস গরম দুধের মধ্যে এক চামচ মধু মিশিয়ে দিলেই ঝটপট তৈরি হয়ে যায় এই খাবার। দুধ-মধুর কিছু গুণের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
দিনকে শুরু করতে এক গ্লাস দুধ-মধু খাওয়ার কোনো বিকল্প হয় না। মধুর কার্বোহাইড্রেট দ্রুত শক্তি জোগাতে সাহায্য করে; পাশাপাশি দুধের মধ্যে থাকা প্রোটিন শক্তি বাড়ায়। এটি সারা দিন আপনাকে কর্মক্ষম রাখবে। এটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের জন্যই উপকারী।
২. হজম ভালো করে
দুধ ও মধুর সমন্বয় হজমের সমস্যা ভালো করতে সাহায্য করে। হজম প্রক্রিয়া ভালো থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটফোলা ভাবকে অনেকটাই দূরে রাখা যায়।
৩. হাড়ের জন্য ভালো
দুধ ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। তবে আমাদের শরীর ক্যালসিয়াম শোষণের জন্য খুব ভালো নয়। মধু, দুধের ক্যালসিয়ামকে শোষণে সাহায্য করে; ক্যালসিয়ামকে হাড়ে পৌঁছে দেয়। এ কারণে দুধ- মধু খুব চমৎকার একটি খাবার।
৪. ঘুমের সমস্যা কমায়
দুধ ও মধু ঘুমের সমস্যা কমাতে উপকারী। এই মিশ্রণ ঘুমের হরমোনকে বাড়াতে সাহায্য করে। তাই ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধ-মধু খেয়ে নিতে পারেন।
৫. কাশি কমায়
দুধের মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ও মধু বুকের বাধা কমাতে সাহায্য করে; কাশি কমায়।
Read »

খুশকি হয় কেন? খুশকি একটি প্রচলিত সমস্যা


খুশকি একটি প্রচলিত সমস্যা। খুশকি চুলের সৌন্দর্য নষ্ট করে এবং চুলকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। খুশকি কমবেশি হয় না এমন মানুষ সাধারণত পাওয়া মুশকিল। কারো কারো এই সমস্যা তীব্র হয়ে দাঁড়ায়।
বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা হয়। সাধারণ কারণ থেকে শুরু করে জটিল কারণ রয়েছে এর। খুশকি কেন হয়, এ বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ২৯০৬তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. তাওহীদা রহমান ইরিন। বর্তমানে তিনি শিওর সেল মেডিকেল বিডির ডার্মাটোলজি বিভাগের পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।
প্রশ্ন : খুশকি হওয়ার কারণ কী?  
উত্তর : খুশকি একধরনের সাদা চামড়া। খুশকি কিন্তু রোগের কারণে হতে পারে। আবার সাধারণ কারণেও হতে পারে।
খুশকি চুল পড়ার একটি প্রধান কারণ। শুষ্ক ত্বকে খুশকি বেশি দেখা যায়। আর যাদের ত্বক তৈলাক্ত সেখানে ধুলাময়লা জমে কিন্তু খুশকি হয়। এরপর ফাঙ্গাস থেকেও খুশকি হতে পারে। এসব কারণে সাধারণত খুশকি হয়। খুশকি অতিরিক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কারণ জেনে চিকিৎসা করুন।
Read »

করল্লার পুষ্টিগুণ জেনে নিন

করল্লার পুষ্টিগুণ জেনে নিন। করলা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Momordica charantia যা Cucurbitaceae পরিবারভুক্ত এক প্রকার লতা জাতীয় উদ্ভিদ। করলা তেতো স্বাদযুক্ত এবং এর শরীর কাঁটার মত ওয়ার্টে ভরা।
করল্লা জন্মায় ট্রপিক্যাল দেশগুলিতে। যেমন- এশিয়া, পূর্ব আফ্রিকা, ক্যারিবীয় দ্বীপপূঞ্জ, দক্ষিণ আমেরিকা। করল্লা স্বাদে তিতা, তবে উপকারী অ-নে-ক। এশিয়া অঞ্চলে হাজার বছর ধরে এটি ওষুধ হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে। দক্ষিণ আমেরিকার আদিবাসীরা করল্লাকে ডায়াবেটিস, পেটের গ্যাস, হাম ও হেপাটাইটিসের ওষুধ হিসাবে ব্যবহার করে আসছে।

করল্লার পুষ্টিগুণ জেনে নিন

ব্যবহার করে আসছে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে, ম্যালেরিয়া জ্বরে এবং মাথা ব্যথায়ও। করল্লায় আছে পালং শাকের চেয়ে দ্বিগুণ ক্যালশিয়াম আর কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম। আছে যথেষ্ট লৌহ, প্রচুর ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং আঁশ। ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি এন্টি অক্সিডেন্ট; বার্ধক্য ঠেকিয়ে রাখে, শরীরের কোষগুলোকে রক্ষা করে। করল্লা অন্ত্রনালী কর্তৃক গ্লুকোজ শোষণ কমায়। রক্তের সুগার কমাতে করল্লা ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকর।
অনেক গবেষণাই করল্লাকে ডায়াবেটিস চিকিত্সায় কার্যকর প্রমাণ করেছে। ফিলিপাইনে ডায়াবেটিস চিকিত্সায় ভেষজ ওষুধ হিসাবে করল্লা অনুমোদিত। করল্লায় কমপক্ষে তিনটি উপাদান আছে যেগুলো রক্তের সুগার কমিয়ে ডায়াবেটিসে উপকার করে। এগুলো হচ্ছে চ্যারান্টিন, ইনসুলিনের মত পেপটাইড এবং এলকালয়েড।
তিতা করল্লা অগ্নাশয়ের ইনসুলিন নিঃসরণকারী কোষ ‘বিটা সেল’- এর সংখ্যা বৃদ্ধি করে। তাই করল্লা অগ্নাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসরণ করায় বলে ধারণা করা হয়। করল্লা ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কমায়। করলা এডিনোসিন মনোফসফেট অ্যাকটিভেটেড প্রোটিন কাইনেজ নামক এনজাইম বা আমিষ বৃদ্ধি করে রক্ত থেকে শরীরের কোষগুলোর সুগার গ্রহণ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। শরীরের কোষের ভিতর গ্লুকোজের বিপাক ক্রিয়াও বাড়িয়ে দেয়। ফলে রক্তের সুগার কমে যায়।

করল্লা যেসব উপকার করে

– রক্তের চর্বি তথা ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় কিন্তু ভাল কলোস্টেরল এইচ.ডি.এল বাড়ায়, রক্তচাপ কমায়, ক্রিমিনাশক, ভাইরাস নাশক-হেপাটাইটিস এ, হারপিস ভাইরাস, ফ্লু, ইত্যাদির বিরুদ্ধে কার্যকর। এছাড়াও ক্যান্সাররোধী-লিভার ক্যান্সার, লিউকোমিয়া, মেলানোমা, ইত্যাদি প্রতিরোধ করে।
Read »

Copyright © 2015 Monwar Instant Article | Facebook

Blogger Templates Designed by Templatezy